
সার্বভৌম সমাচার, নয়াদিল্লী : আরও একটি চীনা সংস্থা কোপের মুখে পড়তে চলেছে। ভারত ও চীনের উত্তেজনায় হুয়াওয়ের (Huawei) বিরোধিতা চলছে। হুয়াওয়ে (Huawei)ভারতে ৫ জি পরিষেবা দেওয়া অন্যান্য কোম্পানির মধ্যে অন্যতম একটি বড় প্রতিযোগী। সূত্রে খবর, ইন্দো-চিন সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতির জন্যই ভারতে ৫ জি নিলামের সময়সীমা আরও এক বছরের জন্য পিছিয়ে গিয়েছে। যদিও গত বছর হুয়াওয়ে ৫ জি ট্রায়ালটিতে অংশ নেওয়ার অনুমতি পেয়েছিল।
আমেরিকা ইতিমধ্যেই হুয়াওয়েকে দূরে রাখতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলিতে চাপ দিচ্ছে। ২০২১ সালের মে পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হুয়াওয়ের পণ্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সূত্রে খবর, যে গতকাল মোদী সরকারের প্রবীণ মন্ত্রীদের বৈঠকে ৫ জি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। যে বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।
আমেরিকা ইতিমধ্যেই হুয়াওয়েকে দূরে রাখতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলিতে চাপ দিচ্ছে। ২০২১ সালের মে পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হুয়াওয়ের পণ্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সূত্রে খবর, যে গতকাল মোদী সরকারের প্রবীণ মন্ত্রীদের বৈঠকে ৫ জি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। যে বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।
আরও পড়ুন--
যদিও ওই সভার কোন খবর এখনও সরকারী ভাবে প্রকাশ করা হয়নি। জানা গেছে, ভারতে হুয়াওয়ের বিরোধিতার মূল কারণ হতে পারে পিএলএর বিষয়টি। তবে সীমান্তে বিরোধের পরে দেশের পরিবর্তিত পরিবেশে হুয়াওয়ের পক্ষে বিষয়টি কঠিন হবে। ইতিমধ্যে ভারতে নিরাপত্তার কারণে হুয়াওয়ে সম্পর্কে নানান কথা উঠতে শুরু করেছে।
উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুরে ৫ জি নিলামের প্রতিযোগিতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে। যেখানে নোকিয়া এবং এরিকসন সুযোগ পেয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়া সুরক্ষার কারণে হুয়াওয়কে নিলামের প্রতিযোগিতা থেকে বাইরে রেখেছিল। ধারণা করা হচ্ছে, এবারে ভারত সরকারও হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে পারে।
উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুরে ৫ জি নিলামের প্রতিযোগিতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে। যেখানে নোকিয়া এবং এরিকসন সুযোগ পেয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়া সুরক্ষার কারণে হুয়াওয়কে নিলামের প্রতিযোগিতা থেকে বাইরে রেখেছিল। ধারণা করা হচ্ছে, এবারে ভারত সরকারও হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে পারে।
আরও পড়ুন--
বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, চীনা অ্যাপগুলিতে সরকার নিরাপত্তা বিষয়ক ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে টিকটক সহ মোট ৫৯টি চীনা অ্যাপসকে নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার। বাকী সমস্ত অ্যাপগুলির উপরও নিষিদ্ধ করণ আগামী কয়েক দিনের মধ্যে হয়ে যাবে বলে জানা গিয়েছে।
ইতিমধ্যেই ৫৯টি চীনা অ্যাপসকে গুগল প্লে স্টোর থেকে তুলে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের আপডেটগুলিও বন্ধ করা হয়েছে। যদিও এইসমস্ত বিধিনিষেধগুলি এখনও পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন। আগামীতে একটি কমিটি গঠন করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে এই নিষেধাজ্ঞাকে অব্যাহত রাখতে হবে বা অপসারণ করা হবে কিনা।
আরও দেখুন--
ইতিমধ্যেই ৫৯টি চীনা অ্যাপসকে গুগল প্লে স্টোর থেকে তুলে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের আপডেটগুলিও বন্ধ করা হয়েছে। যদিও এইসমস্ত বিধিনিষেধগুলি এখনও পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন। আগামীতে একটি কমিটি গঠন করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে এই নিষেধাজ্ঞাকে অব্যাহত রাখতে হবে বা অপসারণ করা হবে কিনা।
আরও দেখুন--