শ্রমণ দে : নিচে দেওয়া হল কিছু আমের নমুনা
১/১০, হাত নয়, এই আমের দামে শরীরটাই পুড়ে যাওয়ার জোগাড় সাধারণ মানুষের।
২/১০, আমের নামটি মিয়াজাকি। সুদূর জাপানের প্রজাতি। এর একটি আমের ওজন ৩৫০ গ্রামের কম নয়। এবং সেইসঙ্গে বিক্রি করা হয় চড়া দামে।
৩/১০, দু’টি আমের একটি বাক্সের দাম পড়তে পারে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা মতো। বিশেষজ্ঞ এবং বৈজ্ঞানিকদের মতে বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম এই মিয়াজাকিই।
৪/১০, ১৯৭০-১৯৮০ সালের মাঝামাঝি এক দশক জাপানে মিয়াজাকির ফলন আরম্ভ হয়।
৫/১০, একে বিশালাকৃতি ডিম ভেবেও ভুল করতে পারেন আপনি। জাপানে অবশ্য একে আদর করে ‘তাইও-নো-তোমাগো’ অথবা ‘সূর্য কিরণের ডিম’ বলে ডাকা হয়।
৬/১০, হিমসাগর, চৌষা, দশেরী, ল্যাংড়া, আলফানসো আম বিদেশে একচেটিয়া রফতানি করে ভারত। তবে এ দেশেও মিয়াজাকি পাওয়া যায়।
৭/১০, সম্প্রতির বাংলাদেশের ঢাকাতেও ছাদের বাগানে এই আম ফলিয়েছেন এক ব্যবসায়ী।
৮/১০, জাপানে দামি উপহার হিসেবে দেওয়া হয় এই আম। টকটকে লাল রং, তাতে হালকা বেগুনি আভা। মিয়াজাকির তুলনা টানা হয় দামি পাথর চুনির সঙ্গে।
৯/১০, মধ্যপ্রদেশের এক দম্পতির বাগানে মিয়াজাকি গাছ রয়েছে। তবে এই গাছ দু’টিই এখন তাঁদের যাবতীয় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।মাঝে মধ্যেই আম কিনতে চেয়ে প্রস্তাব আসছে তাঁদের কাছে। কেউ কেউ এর জন্য যে কোনও মূল্য দিতেও রাজি।এক গয়না ব্যবসায়ী এমন প্রস্তাব দিয়েছেন সম্প্রতি। যদিও ওই দম্পতি তাঁর প্রস্তাবে রাজি হননি।









