পান্তা ভাত খাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাস্টারশেফ কিচেনে বাঙালি তনোয়া

পান্তা ভাত খাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাস্টারশেফ কিচেনে বাঙালি তনোয়া


রিয়া গিরি : পান্তাভাত ঘরোয়া খাবার, তা দিয়েই অস্ট্রেলিয়া মাস্টার শেফ এর বিচারকদের মন জয় করে ফাইনালে পৌঁছে গেল কিশোয়ার চৌধুরী। বাঙালির চিরন্তনী রেসিপি অস্ট্রেলিয়ার ফাইনালে জায়গা করে নিতে সাহায্য করেছে তাকে। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কর্মসূত্রে বহু বছর ধরেই,অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দা। বাঙালি রান্না তার বিশেষ পছন্দের তাই একের পর এক বাঙালিরান্না দিয়েই সেমিফাইনালে পৌছলেন তিনি। পরবর্তীতে রান্না নিয়ে একটি বইও লিখেছেন তিনি।পান্তাভাত নাম শুনলে কেউ কেউ একটু নাক উঁচু করেন, কিন্তু এই রেসিপি যে বিচারকদের মন জয় করতে সাহায্য করবে তা কে বা জানতো! 

সম্প্রতি এই পান্তাভাতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন AIIMS এর চিকিৎসকেরা।তাদের গবেষণা বলছে যে এই খাদ্য নাকি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কার্যকর। শুধু তাই নয় পশ্চিমবঙ্গ ওড়িশা ও বাংলাদেশে পান্তা ভাত খাওয়ার যথেষ্ট প্রচলন রয়েছে।পান্তা ভাতের সঙ্গে গন্ধরাজ লেবু, তেল, নুন, কাঁচা লঙ্কা, কাঁচা পেঁয়াজ এবং সুস্বাদু ভাজা দিয়েই এই খাবার আনন্দ আলাদা হয়ে ওঠে।উড়িষ্যাতে অবশ্য পান্তা ভাত খাওয়া হয় দই , বরি ভাজা, আলু সেদ্ধ, আচার ইত্যাদি মেখে। ধনী-গরীব নির্বিশেষে এই খাবার খান চেটেপুটে।

পান্তা ভাত খাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাস্টারশেফ কিচেনে বাঙালি তনোয়া


বছর ৩৮ এর এই মহিলা কিশোয়ার চৌধুরী একের পর এক বাঙালি ঘরোয়া রান্না করে মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছেন। এর আগে তিনি বাঙালির মাছের ঝোল, খিচুড়ি ও বেগুন ভর্তা, ফুচকা চেটেপুটে খাইয়েছেন বিচারকরা। মাস্টার শেফ এর সেমিফাইনালে এই খাবারের নাম দিয়েছেন তিনি স্মোক রাইস ওয়াটার ও আলু ভর্তা। যা আসলে পান্তা ভাত।

এই বাঙালি সাদামাটা পান্তা ভাত খেয়েই উচ্ছ্বাসিত মেলিসা লিয়, এন্ডি এলেন ও জ্যাকসন ফ্রীলো। মেলিসা বলেন,'শুধুমাত্র জলভাগ দিয়ে তৈরি এই পথ। ইটস পাওয়ারফুল উইথ ফ্লেভার'। অস্ট্রেলিয়ার ১৩ তম আসর এর গ্র্যান্ড ফিনালে পর্ব শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই। সেমিফাইনালে উঠে দর্শকদের সহ দেশবাসীদের অনেক শুভেচ্ছা রয়েছে তার প্রতি।

Post a Comment

Previous Post Next Post