তৈরি হচ্ছে প্রতিমা, তবে প্রতিষেধক না নিয়ে কতটা নিরাপদে কুমোরটুলী পাড়া?

তৈরি হচ্ছে প্রতিমা, তবে প্রতিষেধক না নিয়ে কতটা নিরাপদে কুমোরটুলী পাড়া?

অম্লিতা দাস : আর মাত্র ৯১ দিন তারপরেই শুরু হবে ঢাকের আওয়াজ, পাড়ায় পাড়ায় অঞ্জলি। মায়ের আসার আর মাত্র কিছুদিন। তাই মৃৎশিল্পীরা শুরু করেছেন তাঁদের কাজ। করোনা আবহ এখনও চললেও দুর্গাপুজো তো এ বছরও হবে, সেই ভাবনাই মাথায় রেখে চলছে মূর্তি তৈরি। চিন্তা একটাই, মৃৎশিল্পীরা এখনও পায়নি প্রতিষেধক।

ভিড় জমেছে কুমোরটুলি পাড়ায়। নানান জেলা থেকে আসছে শিল্পীরা। তবে প্রতিষেধক না নিয়ে কতটা নিরাপদ হচ্ছে এই মূর্তিগঠন? কুমোরটুলির মৃৎশিল্পী সংস্কৃতির সম্পাদক জানান ,  প্রতিমা তৈরি করতে জেলা থেকে প্রায় ৩০০ জনের মত কারিগর এসেছেন। কিন্তু তাঁদের বেশির ভাগই এখনও প্রতিষেধক পাননি। করোনাকালে ঘটনাটি দুশ্চিন্তার। পুরসভার তরফ থেকে শীঘ্রই কুমোরটুলির শিল্পী-কারিগরদের জন্য প্রতিষেধক দেওয়ার ব্যবস্থা করা হলে ভাল হয়। কুমোরটুলীর ঘুপচি পাড়ায় পাশাপাশি মূর্তি তৈরি করছেন শিল্পীরা। কিছু শিল্পী প্রতিষেধক নিলেও বাইরে থেকে আসা বেশ কিছু শিল্পী এখনও পায়নি প্রতিষেধক তাই সংক্রমণের দুশ্চিন্তা ক্রমশ বাড়ছে। এক মৃৎশিল্পী জানান, পেটের তাগিদে এখানে কাজে আসা কিন্তু কাজটা নিরাপদে নেই, রয়েছে সংক্রমণের ভয়। 

পুজো হবে এবারেও তবে মৃৎশিল্পীদের কাজে যাতে ভয় বা ব্যাঘাত কিছুই না আসে তাই প্রতিষেধকের দাবি জানাচ্ছেন একাধিক সংগঠনও। তবে পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর মতে, পর্যাপ্ত প্রতিষেধক থাকলে অবশ্যই মৃৎশিল্পীদের দেওয়া হবে কিন্তু কেন্দ্র থেকে এখনও পর্যাপ্ত প্রতিষেধক পাওয়া যাচ্ছেনা তাই শহরের অলিগলি জুড়ে অধিকাংশ এলাকা এখনও প্রতিষেধকহীন।

Post a Comment

Previous Post Next Post