সম্মুখ সমরে চিন-ভারত; ইন্দো-চিন সীমান্তে ১৩৭ মিটার অনুপ্রবেশ করেছে চিনা লাল ফৌজ

উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছে; ইন্দো-চিন সীমান্তে ১৩৭ মিটার অনুপ্রবেশ করেছে চিনা লাল ফৌজ

সার্বভৌম সমাচার, নয়াদিল্লি :  একদিকে ইন্দো-চিন সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে গালওয়ান এলাকায় দিব্যি নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে। অন্যদিকে সামরিক স্তরের আলোচনায় চিন বাহিনী সরানোর প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। আবার সাম্প্রতিক উপগ্রহ চিত্রে দেখা যাচ্ছে, এলএসি বরাবর ব্যাপক সামরিক সম্ভার বাড়াচ্ছে বেজিং। গত ২২ মে থেকে ২৬ জুনের সেই চিত্রেই ধরা পড়েছে চিনের দ্বিচারিতা।

উল্লেখ্য, গত ২২ জুন লেফটান্যান্ট পদমর্যাদার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়, আর সেই বৈঠকে ঠিক হয় দু’দেশই সীমান্ত থেকে নিরাপদ দূরত্বে নিজেদের বাহিনী সরিয়ে নেবে। কিন্তু ভারত সে দিকে আমল দিলেও উপগ্রহ চিত্র বলছে অন্য কথা। গত ২৫ ও ২৬ জুন প্রকাশিত চিত্রে দেখা গিয়েছে, বিতর্কিত এলাকায় চিনা লাল ফৌজ এখনও বর্তমান। যা দেখে প্রাক্তন সেনাকর্তারা দাবী করছেন, চিনের এই উদ্যোগ ভারতীয় বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ সমরের সম্ভাবনা তৈরি করছে।
আরও পড়ুন--
অসমের কৃষকদের সেচের জল আটকায়নি ভুটান, জানাল ভুটানের বিদেশ মন্ত্রক


উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন ইন্দো-চিন সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর এই জায়গাতেই সংঘাতে জড়িয়েছিল দুই দেশের বাহিনী। যার ফলে ২০ জন ভারতীয় সেনা শহিদ হয়েছিলেন। যদিও প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে দাবি, চিনের সংখ্যা আরও বেশি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের গোয়েন্দাদের দাবি, গালোয়ান নদী বরাবর প্রায় ১৩৭ মিটার এলাকা জুড়ে এই অনুপ্রবেশ ঘটেছে। যদিও প্রশ্ন উঠেছে, উপগ্রহ চিত্রে যে এলাকায় অনুপ্রবেশ চিহ্নিত হচ্ছে, সেখানে গত এক দশক ধরে পেট্রলিং করে ভারতীয় বাহিনী। গালোয়ান নদী উপত্যকার ওই এলাকায় তাহলে কী করে নির্মাণ সম্ভব হল? তার মানে অনুপ্রবেশ করে তবেই অবৈধ নির্মাণ চালাচ্ছে চিন। আর তাই নিয়েই ইন্দো-চিনে উত্তেজনার পারদ চড়েছে চরমে।

অন্যদিকে মন-কি-বাত অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদি  বলেন,  "লাদাখে ভারতীয় ভূখণ্ডে যাদের নজর পড়েছে, তাদের যোগ্য জবাব দেওয়া হয়েছে।  ভারত যেমন বন্ধুত্ব করতে জানে, তেমন শত্রুদের জবাব দিতে জানে। আমাদের সাহসী জওয়ানরা নিশ্চিত করেছে, মাতৃভূমিকে আক্রমণে কাউকে রেয়াত করবে না।"

আরও দেখুন-- 

Post a Comment

Previous Post Next Post