
মোল্লা আতাউর রহমান মিন্টু, ঢাকা : করোনা মহামারির প্রাদুর্ভাবে দেশের ছোট-বড় সব ধরণের ব্যবসায়ীরা পঙ্গু হওয়ার উপক্রম হয়েছেন। গত প্রায় আড়াই মাস ধরে তাদের ব্যবসা প্রায় লাটে উঠেছে। বড় বড় ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা আপাতত ধরে রাখতে পারলেও ক্ষুদ্র বা ছোট ব্যবসায়ীরা ব্যবসায় পুঁজি হারিয়ে হাত-পা গুটিয়ে বসেছেন। করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে ঘরে তাদের অলস সময় কাটছে।
রাজধানী ঢাকার বড় বড় মার্কেটসহ সারাদেশের চিত্র প্রায় একইরকম। ঢাকার মতো অজপাড়াগায়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা চালিয়ে গেলেও মোকাম থেকে কোনো মালামাল নিতে না পারায় তাদের ব্যবসাও বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর পুঁজি ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা।
ছোটখাটো ব্যবসা করে তারা কোনোরকম জীবনধারণ করে থাকে। করোনার এই মন্দার বাজারে গত আড়াই মাসে ৫০ থেকে ৬০ লাখ এই ক্ষুদ্র ও অনুব্যবসায়ী তাদের পুঁজি হারিয়ে ব্যবসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে। রাজধানীর প্রায় পাঁচ লাখ অনুব্যবসায়ী ব্যবসা ছেড়ে যার যার গ্রামের বাড়ি চলে যাচ্ছেন। এখন তাদের হাতে কোনো গচ্ছিত পুঁজি নেই যা দিয়ে তারা ফের নতুন করে ব্যবসা করতে পারবে। গত মার্চের শেষ দিকে করোনা ভাইরাস মোকোবেলায় সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। সাধারণ ছুটির আওতায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সকল মার্কেট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। এ সময় শহরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীরা অনেকে বাড়িতে চলে যান। এদের মধ্যে অনেকে চাকরি হারিয়ে আর্থিকভাবে দারুণ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এরা এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
সাধারণ ছুটির পর গত ৩১ মে থেকে খোলা হয় সারাদেশের সকল মার্কেট এবং শপিংমল। দেশের অর্থনীতিতে যাতে ধস না নামে তার জন্য সরকার লকডাউন অনেকটা শিথিল করে। এসময় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুললেও ক্রেতা তেমন পাওয়া যায়নি। রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেট, ধানমন্ডি মার্কেট, নিউ মার্কেট, বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন মার্কেট খুললেও ক্রেতা একেবারে কম। করোনার মধ্যে অনেক ক্রেতা মালামাল ক্রয় করতে তেমন একটা আসছেন না। স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে বর্তমানে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ক্রেতা কমে গেছে। মরণঘাতী করোনা ভাইরাস দেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌছে দিয়েছে। বড় বড় ব্যবসায়ীরা অর্থকষ্টে না থাকলেও তাদের মনোকষ্ট আছে।
সাধারণ ছুটির পর গত ৩১ মে থেকে খোলা হয় সারাদেশের সকল মার্কেট এবং শপিংমল। দেশের অর্থনীতিতে যাতে ধস না নামে তার জন্য সরকার লকডাউন অনেকটা শিথিল করে। এসময় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুললেও ক্রেতা তেমন পাওয়া যায়নি। রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেট, ধানমন্ডি মার্কেট, নিউ মার্কেট, বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন মার্কেট খুললেও ক্রেতা একেবারে কম। করোনার মধ্যে অনেক ক্রেতা মালামাল ক্রয় করতে তেমন একটা আসছেন না। স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে বর্তমানে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ক্রেতা কমে গেছে। মরণঘাতী করোনা ভাইরাস দেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌছে দিয়েছে। বড় বড় ব্যবসায়ীরা অর্থকষ্টে না থাকলেও তাদের মনোকষ্ট আছে।
আরও পড়ুন--
কারণ তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলতে পারছেন না। পুজি বিনিয়োগ করতে পারছেন না। অন্যদিকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা তাদের পুঁজি হারিয়েছেন। যে কারণে তারা আর্থিকভাবে বড় ধরণের কষ্টে রয়েছেন। দু’বেলা খেয়ে বেঁচে থাকতে তাদের কষ্ট হচ্ছে। বড় বড় ব্যবসায়ীদের সরকার ব্যবসা চালাতে প্রণোদনা দিলেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য সরকারের কোনো প্রণোদনা নেই। তাদের নিয়ে কেউ ভাবে না।
যে কারণে তাদের প্রণোদনা দেওয়ার আলোচনাও ওঠে না। রাজধানীতে যারা ব্যবসা করতেন তারা অনেক ব্যবসা গুটিয়ে বসে আছেন। বাড়ি ভাড়া দিতে না পেরে অনেকে ঘর ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এমন বেদনাদায়ক খবর শোনা যাচ্ছে। রাজধানীর গুলিস্তান, পল্টন, মহাখালী, ফার্মগেটসহ অসংখ্য ফুটপাতজুড়ে হাজার হাজার হকার রাস্তার উপরে ব্যবসা করে তাদের জীবন ধারণ করে থাকে। কিন্তু করোনা ভাইরাস শুরুর পর থেকে তারা ব্যবসা গুটিয়ে ফেলতে বাধ্য হয়েছেন। ফুপাতগুলোতে এই হকারদের অবস্থা আরো করুণ। দেশের বিভিন্ন লঞ্চঘাট, রেল স্টেশনসহ নানা জায়গায়ও অনেক ভাসমান হকার রয়েছেন- যারা স্বল্প পুঁজি দিয়ে ব্যবসা করে জীবন ধারণ করছেন। তাদের অবস্থাও করুণ। এই শ্রেণির অতিক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রতি নজর নেই কারোর।
রাস্তা বা ফুটপাতের হকার হোক বা বড় ব্যবসায়ী হোক- তারা সবাই এই দেশের নাগরিক। বেঁচে থাকার অধিকার সকলের রয়েছে। আজ করোনায় যারা আর্থিকভাবে বড় ধরণের ক্ষতির মুখে পড়েছে তাদের বেঁচে থাকার জন্য সরকারকেই ব্যবস্থা নিতে হবে। এই করোনাকালে অনুদান বা ত্রাণের ব্যবস্থা এখনই করতে হবে- যাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবনধারণ করতে পারে। বর্তমান সরকারের কাছে এই মানবিক দাবি সাধারণ জনগণের।
আরও দেখুন--
যে কারণে তাদের প্রণোদনা দেওয়ার আলোচনাও ওঠে না। রাজধানীতে যারা ব্যবসা করতেন তারা অনেক ব্যবসা গুটিয়ে বসে আছেন। বাড়ি ভাড়া দিতে না পেরে অনেকে ঘর ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এমন বেদনাদায়ক খবর শোনা যাচ্ছে। রাজধানীর গুলিস্তান, পল্টন, মহাখালী, ফার্মগেটসহ অসংখ্য ফুটপাতজুড়ে হাজার হাজার হকার রাস্তার উপরে ব্যবসা করে তাদের জীবন ধারণ করে থাকে। কিন্তু করোনা ভাইরাস শুরুর পর থেকে তারা ব্যবসা গুটিয়ে ফেলতে বাধ্য হয়েছেন। ফুপাতগুলোতে এই হকারদের অবস্থা আরো করুণ। দেশের বিভিন্ন লঞ্চঘাট, রেল স্টেশনসহ নানা জায়গায়ও অনেক ভাসমান হকার রয়েছেন- যারা স্বল্প পুঁজি দিয়ে ব্যবসা করে জীবন ধারণ করছেন। তাদের অবস্থাও করুণ। এই শ্রেণির অতিক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রতি নজর নেই কারোর।
রাস্তা বা ফুটপাতের হকার হোক বা বড় ব্যবসায়ী হোক- তারা সবাই এই দেশের নাগরিক। বেঁচে থাকার অধিকার সকলের রয়েছে। আজ করোনায় যারা আর্থিকভাবে বড় ধরণের ক্ষতির মুখে পড়েছে তাদের বেঁচে থাকার জন্য সরকারকেই ব্যবস্থা নিতে হবে। এই করোনাকালে অনুদান বা ত্রাণের ব্যবস্থা এখনই করতে হবে- যাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবনধারণ করতে পারে। বর্তমান সরকারের কাছে এই মানবিক দাবি সাধারণ জনগণের।