করোনার গ্রাফ নিম্নমুখী হতেই, রাজ্যে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে সোয়াইন ফ্লু

করোনার গ্রাফ নিম্নমুখী হতেই, রাজ্যে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে সোয়াইন ফ্লু

সুদীপ গুহ : একেই  রামের রক্ষে নেই সুগ্রীব দোসর। করণা গ্রাফ নিম্নমুখী হতেই রাজ্যে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে  সোয়াইন ফ্লু। সোয়াইন ফ্লু বা, সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জা শূকরের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস। 2009 সালে উদ্ভব হওয়া ভাইরাসটি মানুষ, শুকর ও পাখির ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের সংমিশ্রণ।এটি H1N1  নামেও পরিচিত। ঋতুকালীন ইনফ্লুয়েঞ্জার উপসর্গ ও সোয়াইন ফ্লু উপসর্গ মানুষের মধ্যে প্রায় একই রকম । সর্দি- কাশি, জ্বর, গলাব্যথা ,শীত শীত লাগা, ক্লান্তি, ওজন কমে যাওয়া, ক্ষুধামন্দা এসবই সোয়াইন ফ্লু এর উপসর্গ। বর্তমানে সারা পৃথিবীতে প্রতিবছর প্রায় 2-5 লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয় এই ফ্লু তে ।

সোয়াইন ফ্লু তে আক্রান্ত হয়ে কলকাতার  উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভর্তি একজন; আরো দুজন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন সি এম আর আই তে।

এই ভাইরাসটি মানব শরীরে প্রবেশ করে শ্বাসনালীর মাধ্যমে। যেহেতু আক্রান্ত মানুষের হাঁচি- কাশি প্রভৃতির মাধ্যমে এই ভাইরাসটি ছড়াই, সেহতু আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিস রুমাল,দরজার হাতল স্পর্শ প্রভৃতির মাধ্যমে ভাইরাসটি ছড়াতে পারে । তবে খাদ্য বা রক্তের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায় না। চিকিৎসকদের পরামর্শ অসুস্থ ব্যক্তির  হাঁচি-কাশির সময় নির্দিষ্ট রুমাল ব্যবহার ও সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করা উচিত।  সোয়াইন ফ্লু উপসর্গ দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ  চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে বাড়িতে অন্যদের থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা । যেহেতু হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এই ভাইরাস বাতাসে ছড়ায় তাই এখন থেকেই সাবধান হওয়া উচিত বলে মতপ্রকাশ  চিকিৎসকদের।।

Post a Comment

Previous Post Next Post