ট্যাঙ্কি থেকে উদ্ধার চার পচা গলা দেহ,আটক পরিবারের দুই ছেলে

ট্যাঙ্কি থেকে উদ্ধার চার পচা গলা দেহ,আটক পরিবারের দুই ছেলে

অম্লিতা দাস : নিজেরই পরিবারের মা,বাবা,বোন,ঠাকুমাকে খুন করল বছর ১৯ এর মহম্মদ আসিফ।মালদহের কালিয়াচকে মহম্মদ আসিফ ফলের রসে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করল মা ইরা বিবি, বাবা জাওয়াদ আলি, বোন আরিফা খাতুন এবং ঠাকুমা আলেকজান খাতুনকে।

দাদা আরিফকেও খুনের চেষ্টা করেছিল আসিফ,জানায় বড়ভাই আরিফ।তবে সেটা কতটা যুক্তিযুক্ত তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্ত সূত্রে ঘুমের ওষুধ মেশানো ফলের রসের গ্লাসও উদ্ধার করা হয়।আরিফ তার পরিবারের চার সদস্যকে অচৈতন্য করে ও পরে শ্বাসরোধ করে ট্যাঙ্কির জলে দেহ ফেলে রাখে।২৮শে ফেব্রুয়ারি থেকে একই ভাবে ট্যাঙ্কিতে পরে ছিল সেই চার নিথর দেহ যা কঙ্কালে পরিণত হয়েছিল।

বড়ভাই আরিফকে জিজ্ঞাসা করতে উঠে আসে কিছু অসঙ্গতিমূলক তথ্য।পরিবারের সকলের সাথে যখন তিনিও ঘুমের ওষুধে অচৈতন্য ছিলেন তখন আসিফ তাঁর মুখে লিউকোপ্লাস্ট বেঁধে দিয়েছিল বলে জানান আরিফ।ছোটভাইয়ের সাথে একপ্রকার লড়াই করে পালিয়ে যান সেখান থেকে আর তিন মাসের জন্য গিয়ে থাকেন কলকাতায়।অসঙ্গতির বহু দিক!আরিফের পালানোর কারণ কি ছিল!সে সেদিনই পুলিশের কাছে কেন আসেননি?তিনমাস এই ঘটনা এড়িয়ে থাকার কারণ কি?

Post a Comment

Previous Post Next Post