কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করলেন তৃণমূল নেতৃত্ব।তাঁরা বললেন,এসব মিথ্যেকথা।কেন্দ্রীয় সরকার সাধারণ মানুষদের কথা ভাবেন না বরং করপোরেটদের টাকা দিতেই ক্ষতিপূরণ দিতে চাননা।নয়ত সেন্ট্রাল ভিস্তা গড়তে ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ করছে কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিদেশ থেকে বিলাসবহুল বিমানও দিব্যি আসছে।
সোমবার মুকুল রায়, রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং রাজ্যসভায় তৃণমূলের উপ দলনেতা সুখেন্দুশেখর রায়ের উপস্থিতিতে যোগ দেন বিজেপি সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা।সেখানেই মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধাচরণ করেন সুখেন্দুশেখর রায়।প্রশ্ন উঠেছে প্রধানমন্ত্রীর পিএম কেয়ার্সের টাকা নিয়েও।যেখানে সংস্কার ভবন সংস্কার করা যেত সেখানে নতুন করে নির্মাণ করার ও বা কারন কি ছিল?তিনি আরো বলেন,দেশের এই দুঃসময় অকারণ জায়গায় টাকা ব্যয় না করে যেখানে দরকার সেখানে দেওয়া উচিত।এত মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে,কাজ হারাচ্ছে,খেতে পারছেনা,চিকিৎসা হচ্ছেনা। সুখেন্দুশেখর রায়ের বক্তব্য, ‘‘কোভিড পরিস্থিতিতে কোটি কোটি টাকা দরকার, যাতে সাধারণ মানুষের হাতে নগদ তুলে দেওয়া যায়, তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যায়। সেই সময় বিমান কেনা, সেন্ট্রাল ভিস্তা গড়া, কতটা যুক্তিযুক্ত? ২০ হাজার কোটি টাকায় সেন্ট্রাল ভিস্তা হচ্ছে। কোথায় গিয়ে শেষ হবে জানা নেই। বেমালুম কর্পোরেটদের ঋণ মকুব করে দেওয়া হচ্ছে। ব্যাঙ্কের কাছে ২০ হাজার ২৫ কোটি টাকা ঋণ যাঁদের, ২-৩ হাজার টাকায় নিটমাট করে বাকিটা মকুব করে দেওয়া হচ্ছে। কর্পোরেটদের পকেট ভারী করাই মোদী সরকারের লক্ষ্য। এরা দুর্নীতিতে ডুবে রয়েছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে দ্বিচারিতা করছে।’’
যেখানে কোভিডে মৃত ব্যক্তিদের পরিবারকে ৪লক্ষ টাকা দেওয়ার জন্য সুপ্রিমকোর্টে মামলা হয় সেখানে প্রধানমন্ত্রীর এমন সিদ্ধান্ত কেন এই নিয়েই প্রশ্ন বিরোধী দলের।
