সার্বভৌম সমাচার : গত মে মাসে প্রধানের বিরুদ্ধে একনায়কতন্ত্র ভাবে কাজ করার অভিযোগ তুলে তিনজন বিজেপি সদস্য তৃণমূলে যোগদান করেন। ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠ হারায় বিজেপি। মে মাসের ১০ তারিখ ১৪ জন পঞ্চায়েত সদস্য প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। অনাস্থা ভোটে ১৪ জন পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপি প্রধান লতিকা মন্ডল এর বিরুদ্ধে ভোট দেয় । ফলে পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা পাস হয় ।
অন্যদিকে অবৈধভাবে
আনাস্থ আনা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে
২৫ তারিখ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। দল বিরোধী আইন অনুযায়ী বিজেপি থেকে তৃণমূলে যাওয়া তিন সদস্যের সদস্যপদ খারিজের আবেদন
জানান তারা। সিন্দ্রানি গ্রাম
পঞ্চায়েতে প্রধান লতিকা
মন্ডল এর দাবি
আমরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে
ছিলাম কোট যা সিদ্ধান্ত দেবে আমরা
সেই মত চলবো
। আজ আমাদের কোনো সদস্য অনাস্থা ভোটাভুটিতে অংশগ্রহণ করেনি ।
অনাস্থা ভোটকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকাল থেকে
সিন্দ্রানি গ্রাম পঞ্চায়েতে অফিসের ১০০ মিটার
পর্যন্ত ১৪৪ ধারা
জারি করে মহাকুমা প্রশাসন । অনাস্থা ভোটাভুটি নিয়ে যাতে কোনো
অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেই কারণে
ব্যাপক পুলিশি পাহারা রাখা হয়েছিল সিন্দ্রানী গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনে । এই বিষয়ে সিন্দ্রানি আঞ্চলিক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সদস্য সৌমেন
ঘোষ বলেন তৃণমূলের পক্ষ থেকে জেওন
আস্থা আনা হয়েছিল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থার পক্ষে
১৪ জন সদস্য
ভোট দিয়ে দিয়েছে ।
উল্লেখ্য, উত্তর ২৪ পরগনা বাগদা
ব্লকের বিজেপি পরিচালিত সিন্দ্রানী গ্রাম পঞ্চায়েতের ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে মোট ২৬ টি আসনের মধ্যে
১৩ টি আসনে
জয়ী হয় বিজেপি, দুটি নির্দল ও তৃণমূল কংগ্রেস পায়
১১ টি আসন। বিজেপির ১৩ জন ও ২ জন নির্দল নিয়ে পঞ্চায়েত গঠন করে বিজেপি। প্রধান হন লতিকা
মণ্ডল।
