'উত্তর সোনা'(IET 24171) আবিষ্কার

 

ঈশিতা সাহা : উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে খুশির জোয়ার তিন বছর টানা গবেষণার পর আবিষ্কার হলো নতুন প্রজাতির ধান হাইব্রিডাইজেশন এন্ড সিলেকশন- এর মাধ্যমে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা 'উত্তর সোনা' নামে এক নতুন উচ্চ ফলনশীল দেশীয় ধানের আবিষ্কার করেছেন উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সত্তর প্রজাতির ধান নিয়ে গবেষণা চলে সেখান থেকেই দীর্ঘদিনের পরীক্ষা-নিরীক্ষায়এই সোনা ধানের আবিষ্কার ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচার রিসার্চ-এর তরফ থেকেও আবিষ্কারে স্বীকৃতি পেয়েছে

কৃষকেরা বছরে দুবার এই ধান চাষ করতে পারবে এই ধানের চাল মাঝারি শরু ভাত খেতেও সুস্বাদুইতিমধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে উত্তর সোনা ধান বীজ পাঠানো হয়েছে বলে জানা যায়

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিড সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের প্রধান ডঃ বিধান রায় অন্যান্য বিভাগের গবেষকেরা কয়েক বছর ধরে উত্তরবঙ্গে বিভিন্ন প্রজাতির ধান নিয়ে গবেষণা করে চলেছেন প্রজাতি গুলির ফলন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জন্য পরীক্ষা করা হচ্ছে পাশাপাশি কয়েকটি প্রজাতির ধানের সংকরায়ন জিনগত বিভিন্ন পরিবর্তন করে এক নতুন প্রজাতির ধান উৎপাদনের চেষ্টা চালিয়েছেন গবেষকরা সেখান থেকেইএই 'উত্তর সোনা' নামে নতুন প্রজাতি ধানের আবিষ্কার হয়

গবেষকরা জানান, বোরো এবং আমন ধানের মৌসুমেই  চাষ করা যাবে সোনা ধান বিঘা প্রতি ১৮ মনের বেশি ফলন পাওয়া যাবে বীজ বপন থেকে শুরু করে ধান কাটা পর্যন্ত সর্বোচ্চ সময় ১২০ দিন পরিপূর্ণ একটি গাছের উচ্চতা হবে ১০৫ সেন্টিমিটার উচ্চফলনশীল এই সোনা ধান চাষ করলে কৃষকেরা আর্থিকভাবে অনেকটাই লাভবান হবেন উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সাফল্যের কথা আন্তর্জাতিক পত্রিকা 'জার্নাল অফ এক্সপেরিমেন্টাল এগ্রিকালচার ইন্টারন্যাশনাল'- প্রকাশিত হয়েছে

Post a Comment

Previous Post Next Post