অম্লিতা দাস : বন্ধ স্কুল, বন্ধ অফলাইন ভাবে শিক্ষক- শিক্ষিকাদের স্কুলে আগমন। তবে কোভিডের কোলাহল কিছুটা কমে আসলে শিক্ষক- শিক্ষিকাদের স্কুলে আসার কথা জানালেন স্কুল পরিদর্শক। তবু বিভ্রান্তে আছে শিক্ষকরা কারণ শিক্ষা দফতরের কোনও নির্দেশিকা এখনও মেলেনি।
স্কুল বন্ধ থাকলেও একাধিক প্রশাসনিক কাজ পরে আছে সেখানে, সেগুলোই সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে শিক্ষকদের স্কুলে আসার নির্দেশ দিলেন পরিদর্শকরা। বন্ধ স্কুলে ছাত্র- ছাত্রীদের আগমন, বন্ধ পঠন- পাঠন তবে স্কুলে মিড-ডে মিলের সামগ্রী বিতরণ থেকে শুরু করে কন্যাশ্রী, ঐক্যশ্রীর মতো প্রকল্প , এছাড়াও একাদশ থেকে দ্বাদশের ভর্তির প্রক্রিয়ার কাজ, দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের ট্যাবের জন্য নাম নথিভুক্তি করার মত একাধিক কাজে স্কুলে আসছেন প্রধান শিক্ষকেরা। সহায়তায় পাচ্ছেন না কোনো শিক্ষক- শিক্ষিকাদের। স্কুলের প্রধানরাও তাই বহুদিন ধরে জানাচ্ছেন, শিক্ষক দফতরের কোনো পর্যাপ্ত নোটিশ না থাকায় শিক্ষক- শিক্ষিকাদের দেখা নেই স্কুলে। ‘অ্যাডভান্সড সোসাইটি ফর হেডমাস্টারস অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেসেস’ রাজ্য সম্পাদক জানালেন, পঠন পাঠন বন্ধ থাক্লেল স্কুলে রয়েছে অনেক কাজ, শিক্ষা দফতরের কোনো নির্দেশ না থাকায় স্কুল শিক্ষক শিক্ষিকাদের সাহায্য পাওয়া অসম্ভব হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এই সমস্ত অভিযোগের পরেই শিক্ষক- শিক্ষিকাদের স্কুলে আসার নির্দেশ দিলেন স্কুল পরিদর্শকরা।
স্কুলে আসার নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলা স্কুল পরিদর্শক অজয় পাল, পশ্চিম বর্ধমানের সাথেই উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর স্কুল পরিদর্শকও একই নির্দেশ রেখেছেন। স্কুল শিক্ষক- শিক্ষিকাদের একাংশ জানান, স্কুলে তাঁদের আসতে কোনো দ্বিধা নেই, সমস্যা শুধু পরিবহন ক্ষেত্রে, কারণ যাতায়াতের জন্য নেই সঠিক পরিমানে গাড়ির সংখ্যা।