সংশোধনাগারের মধ্যে যাতে করোনা না ছড়িয়ে পরে তার জন্য প্রথম থেকে সচেতন ছিল কারা দফতর। ভ্যাকসিন বাজারে আসার পর থেকেই বন্দিদের মধ্যে ভ্যাকসিন নিয়ে সচেতনতা তৈরির কাজ শুরু করা হয় সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কারা দফতরের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কথায়, দীর্ঘ আলাপ আলোচনার পর এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে এই বিষয়ে তাদের সচেতন করা গিয়েছে। এছাড়া প্রতিটি সেলে যে টেলিভিশন রয়েছে সেখান থেকেও তাদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে জেল সূত্রে। সোমবার বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে একটি টিম সংশোধনাগারে গিয়ে বন্দিদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ করেন।
বনগাঁ সংশোধনাগারের সুপার জানান, কোনও বন্দি প্রথমে সংশোধনাগারে এলেই তাঁদের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হয়। এছাড়া তাঁদের হাতে সংশোধনাগারের পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হয় স্যানিটাইজার ও মাস্ক। তারপর তাদেরকে রাখা হয় আইসোলেশন সেলে। সেখানে কয়েকদিন রেখে দেখা হয় তাঁদের কোনও শারীরিক সমস্যা হচ্ছে কিনা। কারোর কোনও শারীরিক সমস্যা হলে তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিন মোট ৭২ জন বন্দিকে টিকা দেওয়া হয়। বাকিদেরও দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেল সুপার।
