অম্লিতা দাস : বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্তের আবেদন সুপ্রিম কোর্টে। ভোটের পরবর্তীতে এক নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষ হামলা করে বাংলার একাধিক অঞ্চলে।
ভোটের পরবর্তীতে বাংলায় বেশ কিছু ধ্বংসাত্মক ছবি উঠে আসে। বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া, ধর্ষণকান্ড, অত্যাচার। এর বিরুদ্ধে বিচারের জন্য মামলা করেন রঞ্জনা অগ্নিহোত্রী আইনজীবী বিষ্ণুশঙ্কর জৈন। এই হিংসাত্মক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষদের যা ক্ষতি হয়েছে সেই সমস্ত ক্ষতিপূরণ নেবেন রাজ্য।
তদন্তের মধ্যেই উঠে এসেছে যাদবপুরের ঘটনা। ভোট পরবর্তী সময় যাদবপুরের অবস্থায় পুলিশের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠেছে না? প্রশ্ন উঠেছে হাইকোর্টে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৩ই জুলাই। শুক্রবার পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছেন, এই ঘটনায় কিছু জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে শো কেজের নোটিশ জারি করা হবে। তাঁদের বলতে হবে কেন তাঁরা কোন পদক্ষেপ নেয়নি।
ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্তে এই ঘটনা উঠে আসে। গত মঙ্গলবার নীলসঙ্ঘে এই তদন্ত করতে হামলার মুখে পড়েন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যেরা। পুলিশ এই বিষয় কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। অবশেষে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহায়তায় এলাকা ছাড়েন তাঁরা। ভোট পরবর্তী নানান হিংসার ঘটনায় অত্যাচার, ঘর পুড়িয়ে ফেলার সাথেই ঘরহারা হন একাধিক পরিবার। নীলসঙ্ঘে সেদিন ৩০টির ওপর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এই ঘটনাই বুধবার কোর্টে পেশ করা হয়।
বিজেপিদের দাবি হামলাকারীরা ছিল তৃণমূল সমর্থক। এ বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, রাজ্য বিক্ষিপ্তভাবে নানান ঘটনা ঘটলেও তা ভোট পরবর্তী হিংসা নয়। এসব বিজেপিদের অপপ্রচার।
