
সার্বভৌম সমাচার, নয়াদিল্লি: আজ 'মন কি বাত' অনুষ্ঠানে সম্প্রতি ইন্দো-চিন সীমান্তে শহীদ ভারতীয় জওয়ানদের প্রতি সন্মান জানিয়ে তিনি বলেন, "সাহসী জওয়ানদের কাছে আমরা মাথা নত করি। এঁরাই দেশকে নিরাপদ রেখেছেন। ওঁদের আত্মত্যাগ সবসময় স্মরণ করবে দেশ।" উল্লেখ্য, চিনা পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছেন দেশের মানুষ আর তার প্রভাব পড়বে সে দেশের অর্থনীতিতে।
এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আরও বলেন, "লাদাখে ভারতীয় ভূখণ্ডে যাদের নজর পড়েছে, তাদের যোগ্য জবাব দেওয়া হয়েছে।
ভারত যেমন বন্ধুত্ব করতে জানে, তেমন শত্রুদের জবাব দিতে জানে। আমাদের সাহসী জওয়ানরা নিশ্চিত করেছে, মাতৃভূমিকে আক্রমণে কাউকে রেয়াত করবে না।"
আরও পড়ুন--
রীতিমতো হুঁশিয়ারির সুরে এদিন নমো আরও বলেন, ‘পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় যদি এখনও চিন কোনও অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করে তবে তার যোগ্য জবাব দেওয়া হবে’। এছাড়াও ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেও এর প্রভাব পড়বে বলেও সতর্ক করেন চিনকে। ভারতের দাবি, পূর্ব লাদাখে চিনা সেনার দাপাদাপি বন্ধ করুক বেজিং।
চিনে দায়িত্বরত ভারতের রাষ্ট্রদূত বিক্রম মিশ্রি সংবাদসংস্থা পিটিআইকে বলেছেন, "দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ভাল রাখার জন্য সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা একটি অপরিহার্য শর্ত। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে চিনের সেনাবাহিনীর এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কোনও শর্তই মেনে চলছে না। চিনের উচিত ভারতীয় সেনার সাধারণ টহলদারিতে বাধা সৃষ্টি না করা।"
ইন্দো-চিন সীমান্তের সমস্যা নিয়ে ভারতের রাষ্ট্রদূতের কথায়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য চিনের উচিত সেখানে নতুন নির্মাণ বন্ধ করা। তিনি আরও বলেন, "গালওয়ান উপত্যকার উপর চিনের সার্বভৌমত্বের দাবি মোটেই যুক্তিযুক্ত নয়"।
আরও দেখুন--
চিনে দায়িত্বরত ভারতের রাষ্ট্রদূত বিক্রম মিশ্রি সংবাদসংস্থা পিটিআইকে বলেছেন, "দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ভাল রাখার জন্য সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা একটি অপরিহার্য শর্ত। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে চিনের সেনাবাহিনীর এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কোনও শর্তই মেনে চলছে না। চিনের উচিত ভারতীয় সেনার সাধারণ টহলদারিতে বাধা সৃষ্টি না করা।"
ইন্দো-চিন সীমান্তের সমস্যা নিয়ে ভারতের রাষ্ট্রদূতের কথায়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য চিনের উচিত সেখানে নতুন নির্মাণ বন্ধ করা। তিনি আরও বলেন, "গালওয়ান উপত্যকার উপর চিনের সার্বভৌমত্বের দাবি মোটেই যুক্তিযুক্ত নয়"।