কসবার এই প্রতারণা বিভ্রান্ত করেছে অনেককেই।জুলজিতে স্নাতক দেবাঞ্জনের আগ্রহ ছিল গান ও তথ্যচিত্রের প্রতি।নিজের গানের সিডিও বার করেছিলেন তিনি।বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দূর শিক্ষার একটি কোর্স মাঝপথে ছেড়ে দেওয়া দেবাঞ্জনকে বৃহস্পতিবার রাতে জেরা করেই উঠে আসে একাধিক তথ্য।২৫লক্ষ টাকার বিনিময় প্রতারণার কাজ শুরু করে দেবাঞ্জন।করোনার দাপট শুরু হতেই মেহতা বিল্ডিং থেকে মাস্ক,পিপিটি কিট, স্যানিটাইজার ইত্যাদি জিনিসপত্র নিয়ে ব্যবসা শুরু করে।ধীরে ধীরে কলকাতা পুরসভার সংস্পর্শে আসে সে।তারপর থেকেই ভুয়ো আইপিএস অফিসার সেজে ভুয়ো গাড়িতে করে যাতায়াত করতে থাকে দেবাঞ্জন দেব।তদন্তের সূত্রে উঠে আসে আরো কিছু তথ্য বেসরকারি ব্যাংকে দুটি অ্যাকাউন্ট ছিল তার,তারই মধ্যে একটি কলকাতা পুরসভার নামে। অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে আছে পুরসভার নগর পরিকল্পনা বিভাগের দু’জন আধিকারিকের নাম।কিন্তু সেই পরিচয়ও ভুয়ো এমন কোনো আধিকারিকের সন্ধান নেই কলকাতা পুরসভায়।
ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ায় দেবাঞ্জন।আধিকারিকের পরিচয় নিয়েই মেহতা বিল্ডিং থেকে কিনে নেন ইনজেকশন।আবারও ভুয়ো লেবেল ব্যবহার করে শিবিরে নিয়ে আসেন ভুয়ো "স্পুটনিক ভি"।কোভিশিল্ডের ক্ষেত্রে নিজেই কম্পিউটারে বানিয়ে ফেলেন লেবেল।দেবাঞ্জনের কম্পিউটার ঘেঁটে পাওয়া গেছে সেই গ্রাফিক সাথেই মিলেছে কলকাতা পুরসভার জাল স্ট্যাম্প ও লেটারহেড।
