বোকা বানিয়ে প্রতিষেধক শিবির,প্রতারণার শিকার সাংসদ মিমি চক্রবর্তী

বোকা বানিয়ে প্রতিষেধক শিবির,প্রতারণার শিকার সাংসদ মিমি চক্রবর্তী
অম্লিতা দাস : প্রতারণার মুখে সাংসদ মিমি চক্রবর্তী।কসবার এক কোভিড টিকার শিবিরে গিয়ে এমন ঘটনা ঘটে বলে তাঁর অভিযোগ।

কসবার ওই শিবিরে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের উৎসাহ দিতেই কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ নেন তিনি।কিন্তু টিকাকরণের পর তাঁর ফোনে সেই সংক্রান্ত কোনোরকম কোনো তথ্য আসেনি।টিকা নেওয়ার পর তিনি যখন সেই শিবিরের উদ্যোক্তার কাছে শংসাপত্র চান,তিনি জানান ফোনেই সমস্ত তথ্য চলে যাবে।কিন্তু বেশ কিছু ঘন্টার কেটে গেলেও কোনো আশানুরূপ বার্তা তিনি পায়না।এর পরেই সাংসদ যোগাযোগ করেন কসবা থানায়।সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।বন্ধ হয় প্রতিষেধক শিবির।অভিনেত্রী ও সাংসদ মিমি চক্রবর্তী জানান,শিবিরটি বিগত ১০দিন ধরে মানুষকে বোকা বানিয়ে চলেছে।এতদিন ধরে প্রতিষেধক নেওয়া কোনো ব্যক্তিই কোনোরকম শংসাপত্র পাননি।

বোকা বানিয়ে প্রতিষেধক শিবির,প্রতারণার শিকার সাংসদ মিমি চক্রবর্তী
প্রতিষেধক নিয়ে এমন জালিয়াতি হতবাক করেছে তাঁকে।প্রশ্ন তুলেছেন প্রতিষেধক নিয়ে।জালিয়াতি করে যে প্রতিষেধক দেওয়া হচ্ছে তা কি আদেও করোনার প্রতিষেধক?প্রতিষেধকের নামে কি দেওয়া হচ্ছে মানুষের শরীরে?মিমি চক্রবর্তী অভিযোগ জানিয়েছেন,অভিযুক্ত দেবাঞ্জন নিজেকে আইএএস অফিসার এবং কলকাতার পুরসভা যুগ্ম কমিশনার বলে ভুয়ো পরিচয় পান।বলরন কলকাতা পুরসভা দ্বারাই এই শিবিরের আয়োজন।পুলিশের উপস্থিতিতে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে দেবাঞ্জনের ভুয়ো পরিচয়পত্র সাথেই কলকাতা পুরসভার শিলমোহর,বেশ কিছু কাগজপত্র ও গাড়ি। ইউকো ব্যাংকের বিল্ডিংয়ের দোতলায় শিবির চালাচ্ছিলেন দেবাঞ্জন।নিজের পরিচয় গোপন রাখতে গাড়িতে লাগিয়েছিলেন নীল বাতি, পতাকা।পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করেছেন তাকে।

Post a Comment

Previous Post Next Post