অম্লিতা দাস : একের পর পর প্রতারণার জাল।নকল প্রতিষেধক ও তার শিবিরের তদন্তের পর করা নিয়ম তৈরিতে এগিয়ে এলেন পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্যে দফতর।
নিয়ম অনুযায়ী দরকার পুরসভার অনুমতি,অর্থাৎ কোনো হাসপাতাল বেসরকারি সংস্থা প্রমুখ কেউ যদি শিবির তৈরি করতে চায় তবে তাকে আগে সংশ্লিষ্ট পুরসভার অনুমতি পেতে হবে।শিবির তৈরির আগে শিবির সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য,ফোন নম্বর, কি কি টিকা দেওয়া হচ্ছে, তার ব্যাচ নম্বর কত, সময়সীমা কতদিন ইত্যাদি দেখতে হবে।সব খতিয়ে দেখবে পুরসভা।সব তথ্য সত্যি ও সঠিক বলে বিবেচিত হলে তবেই মিলবে শিবির গড়ার অনুমতি।
কসবার শিবিরের প্রতারণায় উঠেছে একাধিক প্রশ্ন।প্রশাসন থাকতেও কেন এমন প্রতারণার জাল।শনিবার রাজ্য সরকারের টিকা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ কমিটি জরুরি বৈঠক করে।সেখানে জমা পড়ে নকল প্রতিষেধকের শিকার মানুষদের স্বাস্থ্য রিপোর্ট।কিছু মানুষদের জ্বর ধরা পড়েছে।সকলকেই কোভিডে টেস্টের আবেদন জানানো হয়েছে।নকল শিবির এড়াতে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর গড়ে উঠেছে।সেই অনুযায়ী নির্দেশিকা পৌঁছেছে সমস্ত পুরসভায়।
নির্দেশিকা বলছে,এবার থেকে যেই প্রতিষেধক শিবির গড়বে তাকে আগে নিতে হবে পুরসভার অনুমতি।গ্রামীন এলাকায় শিবির নির্মাণে লাগবে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকের অনুমতি।ব্লক ভিত্তিক শিবির তৈরি করলে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অনুমতি।এছাড়াও নতুন নিয়মানুযায়ী, কোউইনে নাম নথিভুক্ত না করলেও পাওয়া যেত টিকা,সেই ক্ষেত্রেও করা নির্দেশ নাম নথিভুক্ত না করলে দেওয়া হবেনা যাবেনা টিকা।
