রিয়া গিরি : বেশ কিছুদিন ধরেই বাবুল সুপ্রিয় কে পদ্ম শিবিরের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে। ২০১৪ লোকসভার সদস্য ও ২০১৯ এ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্বের ভার ও গ্রহণ করেছিলেন তিনি। কিন্তু ঠিক কোন কারণের জন্য তিনি পদ্ম শিবির ছাড়ছেন তা নিয়ে উঠেছে নানা জল্পনা।রাজনৈতিক মহলে তার সেরকম কোনো খারাপ অভিজ্ঞতা নেই। রবিবার দুপুর থেকে এমনই জল্পনা ছড়াচ্ছে গোটা রাজ্যে।
সূত্রের খবর, বিজেবিতে স্বস্তি নেই তার, তাই তিনি তৃণমূলে যোগদান করার সিদ্ধান্ত
নিতে পারেন। তবে এ ব্যাপারে বাবুলের নিজস্ব কোন প্রতিক্রিয়া সেরকম মেলেনি।নিজের রাজনৈতিক
কর্মজীবন শুরু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরেই
এবং প্রথম জয়ী হয়েছিলেন ২০১৪ সালে আসানসোল থেকে তৃণমূল প্রার্থী মুনমুন সেনকে
হারিয়ে। প্রধানমন্ত্রী তখনই বাবুল সুপ্রিয়
কে মন্ত্রিসভায় নিয়ে গিয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছিলেন নিজে। তারপর থেকে ২০২১
এর আগে পর্যন্ত টানা সাত বছর প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি।
সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় রদবদল করার পর থেকেই তার মধ্যে কিছুটা অসন্তোষ দেখা
যায়। মন্ত্রিসভা রদবদল হওয়ার আগেই তিনি মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। সোশ্যাল
মিডিয়াতে তিনি লিখেছিলেন, মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। কিছুক্ষণ
পরেই আবার সংশোধন করে নেন তাঁর লেখা। ততক্ষণে সবার নজরে চলে আসে বিষয়টি।
তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্কের কথা বললে, বাবুলের সম্পর্ক খুব একটা খারাপ নয়।রাজ্যের
তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে একাধিকবার সুর চড়ালেও, মুখ্যমন্ত্রীর সাথে ভাল সম্পর্ক বজায়
রেখেছেন তিনি। কিন্তু নিজের শিবিরে তিনি খুবই হতাশ, তাই সূত্রের খবর অনুযায়ী তিনি
বিজেপি ছাড়তে পারেন এবং যোগ দিতে পারেন তৃণমূলে। নিজের দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের
সঙ্গেও তার সম্পর্ক ভালো এবং পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রয়েছে
তার। যদিও এখনো পর্যন্ত তার তরফ থেকে কোনরূপ প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
